রাউজান হলদিয়ায় আমিরহাট চত্বরে হলদিয়া সেনানী পরিবারের উদ্যোগে (৯ নভেম্বর) শনিবার বেলা ২টা হতে হামদ-নাঁত জলসা এবং কাওয়ালী সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতীয় চেতনামণ্ডিত সুস্থধারার নির্মল সংস্কৃতির বিকাশ ঘটিয়ে অপসংস্কৃতির রাশ টেনে ধরার আহবান জানান। বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির অবাধ বিকাশ জাতীয় ও জনজীবনে যথেষ্ট গতিশীলতা আনলেও যুব সমাজ তা ইতিবাচকভাবে রপ্ত না করে প্রযুক্তির অন্ধকার গলিতে ঢুকে নিজেদের সম্ভাবনা ও শক্তির বিনাশ ঘটাচ্ছে। দেশের কোটি তরুণ আজ বেকার। তাদের হাতে হাতে এন্ড্রয়েড মোবাইল।
অনেকেই আজ মাদকাসক্ত এবং জঙ্গীবাদে লিপ্ত। অযথা মোবাইল ফোনে পর্নোগ্রাফিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত থেকে মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট করে যুব-তরুণরা শুধু নিজেদের নিঃশেষ করে দিচ্ছে তা নয়, বেকার কুপথে পরিচালিত এই যুব সমাজের কারণে দেশের অগ্রগতিও থমকে দাঁড়িয়েছে। তাই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করে বিশাল তারুণ্য শক্তির মেধা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।
প্রযুক্তির চোরা গলি থেকে তাদের বেরিয়ে এনে উন্নয়ন-অগ্রগতির পথে ও দেশ গঠনে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এজন্য সুদূরপ্রসারী জাতীয় পরিকল্পনা দরকার বলে বক্তারা মতব্যক্ত করেন। প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক সংগঠক মাওলানা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী এবং সদস্য সচিব সংগঠক মুহাম্মদ জমির হোসাইন সানির যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হলদিয়া ইউনিয়নের সভাপতি মাওলানা আলী সিদ্দিকী। সম্মানিত অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত রাউজান উপজেলা উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইদ্রিচ আনসারী (মুজিআ), শান-এ গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী উলামা পরিষদের মহাসচিব আল্লামা শায়েস্তা খাঁন (মু.জি.আ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ রাউজান উপজেলা উত্তরের সভাপতি মাওলানা আহমদ হোসাইন রেজভী, রাউজান প্রেসক্লাবের সভাপতি এম বেলাল উদ্দিন, মাষ্টার মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, শফিকুল আলম সিকদার, মাওলানা আজাদুর রহমান, যুবনেতা মুহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, যুবনেতা এস এম জাহেদ উল্লাহ ফারহান, এস এম লুৎফর রহমান, যুবনেতা সাখাওয়াত সুমন, মাওলানা এস এম গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেজাম উদ্দিন তৈয়বী, জসিম উদ্দীন, মাওলানা মুর্শেদ রেযা, মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম আসিফ, যুবনেতা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, মুহাম্মদ বাহাদুর, যুবনেতা আবু তৈয়্যব, কাযী মুহাম্মদ জুলফিকার, মুহাম্মদ মমতাজ, মুহাম্মদ মাসুদ পারভেজ, মুহাম্মদ মহসিন, মাওলানা রাশেদ, মুহাম্মদ সাদ্দাম, মাওলানা জিয়াউল্লাহ্, মাওলানা নঈমুল হক, মুহাম্মদ ইদ্রিস, মুহাম্মদ ওসমান, মুহাম্মদ মেসবাহ্ উদ্দিন আসিফ, মুহাম্মদ আমানুল হোসেন সাকিব, মুহাম্মদ আসিফ তানভীর, মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আকবর, আহমদ রেযা প্রমুখ। হামদ, না’ত, গজল ও কাওয়ালী পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতনামা ইসলামী শিল্পীগণের মধ্যে এ এম এম সোবাইর কাওয়াল, মাওলানা আবু তালেব, মাওলানা আব্দুল মাবুদ, মাওলানা ছালামত রেযা কাদেরী, মাওলানা মিনহাজ উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি, মুহাম্মদ আহসান হাবিব, মুহাম্মদ মিনহাজ, মুহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন, মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।