কদিন পরেই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপুজা। সারাদেশের ন্যায় বান্দরবানেও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা ও মণ্ডপ তৈরির মৃৎশিল্পীরা।
শনিবার (৫ অক্টোবর) বান্দরবান জেলা সদরের পূজা মণ্ডপগুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
বান্দরবান সদরের রাজার মাঠ, কালাঘাটা ও বালাঘাটার পূজা মণ্ডপগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, দুর্গা-মহিষাসুর, লক্ষী, সরস্বতী, গণেশ, কার্তিক ও মণ্ডপসহ এই পুজায় পূজ্য প্রায় সব প্রতিমা তৈরির ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করেছেন। অবশিষ্ট কাজ সমাপ্ত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই শিল্পীরা।
পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা জানান, সারাদেশের ন্যায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এই জেলায়ও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে দুর্গাপূজার। এবারে জেলায় ৩১টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। যার মধ্যে সদর উপজেলায় ১১, লামা ৮, আলীকদম ৫ রুমা ১, রোয়াংছড়ি ১, থানচি ২ ও নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩টি। এসব পূজা মণ্ডপে প্রতিমা-মণ্ডপসহ প্রায় সব আয়োজন প্রস্তুতি ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশ সমাপ্ত হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ৫ দিনব্যাপী এই পূজা শুরু হয়ে ১৩ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটবে।
বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রাজেশ্বর দাশ বিপ্লব জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় জেলার ৩১টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে। পূজা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী ও জেলা পুলিশ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন এবং পূজায় শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম বলেন, জেলার প্রতিটি পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তার স্বার্থে ধারাবাহিকভাবে ১২-১৫ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পুলিশের ভ্রাম্যমাণ দলও দায়িত্ব পালন করবে এবং এখনও পর্যন্ত জেলার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।