রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক ৩২৮২ এর গভর্নর (ডিজি) রোটারিয়ান ইঞ্জিনিয়ার মো. মতিউর রহমান পিএইচএফ বি এমডি বলেছেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করলে ইতিহাসের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তাঁদের স্মরণে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনগুলোকে টিকিয়ে রাখার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসমুখী করতে হবে। তিনি ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক গণপাঠাগারে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং নিউক্লিয়াস ও স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, রাউজান থানা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং যুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনী প্রধান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, রাউজানে সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান-এর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং জেয়ারত শেষে পাঠাগার পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রোটারি ক্লাব অব চিটাগাং ইস্ট এর উদ্যোগে ৭ অক্টোবর, শনিবার, সকাল ১১টায় রাউজানে ডেঙ্গু সচেতনতা বিরোধী আয়োজনে অংশ নিতে তিনি ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক গণপাঠাগারে যান।
ক্লাবের কমিউনিটি সার্ভিস ডিরেক্টর পিপি হাসিনা আক্তার লিপি’র নেতৃত্বে এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান নাসিমা আখতার, ক্লাব চার্টার সদস্য পিপি এ.আর খান, ক্লাব এসাইন অ্যাসিস্ট্যান্ট গভর্নর জয় দেব চন্দ্র দাস জয়, ট্রেজারার পিপি মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, পিপি রাকিবুল ইসলাম, রোটারিয়ান চম্পাকলি বড়ুয়া, রোটারিয়ান রুমানা রুমা, স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক শওকত জালাল, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. তৈয়ব উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য মো. শামসুল আলম ও মো. মফিজ মিয়া ফারুকী, বিশিষ্ট সমাজসেবী বজল আহমদ জুনু, রফিকুল আলম সিকদার, সেলিম সিকদার, দিদার কামাল, নাজির হোসেন, সালামত আলী, মো. আলমগীর, শওকত হাফেজ রুবেল, নোমান তালুকী প্রমুখ।
পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মরহুম এ.কে ফজলুল হকের সুযোগ্য সন্তান, মহামান্য রাষ্ট্রপতি মরহুম মো. জিল্লুর রহমানের সাবেক পলিটিক্যাল এপিএস, তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি।