বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, আন্দোলন আর সংগ্রাম ছাড়া জনগণকে সুসংগঠিত করা যাবে না। তাই আন্দোলনে মনোযোগ দিতে হবে। সফলতা আসবেই। সরকারের পতন খুব বেশি দূরে নয়। আমরা বিজয়ের কাছাকাছি বলে মন্তব্য করেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির ষষ্ঠ দিনে আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির উদ্যোগে নাসিমন ভবন চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালীর আয়োজন করা হয়।
বর্ণাঢ্য র্যালী পূর্বে নাসিমন ভবন চত্বরে বিএনপি চেয়ারপারসন এর উপদেষ্টা কাউন্সিলের সন্মানিত সদস্য, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সংসদ সদস্য এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব গোলাম আকবর খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী জনাব আব্দুল্লাহ আল নোমান, প্রধান বক্তা হিসেবে বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, নির্বাচন কমিশনার একটা কথা বলেছেন। এবারের ভোট রাতে হবে না, দিনে হবে। অর্থাৎ আগের ভোট যে রাতে হয়েছিল তা তারাও স্বীকার করেছেন। তারা জোর করে দেশ চালাচ্ছেন। তাদের দেশ পরিচালনার অধিকার নেই।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ। মানুষ দুই বেলা খেতে পায় না। যুবদল-ছাত্রদলের অনেক নেতা আজ কারাগারে। দেশ আজ সংকটের মধ্যে আছে। জনগণের ওপর ক্ষমতায় থাকার জন্য শেখ হাসিনা নির্যাতন চালাচ্ছেন। তাই আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।
নোমান বলেন, প্রতিবাদ চলবে যতক্ষণ আমরা একটি বৈধ সরকার না পাবো। আজকে আমরা যে কারণে এখানে এসেছি তা আসতে হতো না যদি এ দেশ নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলতো। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বলেছিলেন এ দেশের জন্য আমাদের রাজনীতি। আসুন আমরা দেশের জন্য কাজ করি। আমাদের রাজনৈতিক মত পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু জনগণের কল্যাণে আসুন আমরা এগিয়ে যাই।
মেগা প্রকল্পের অর্থে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উন্নতি হচ্ছে মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, আজকে মেগা প্রকল্প থেকে যে অর্থ লুট হচ্ছে তার মাধ্যমে দুর্নীতি করে দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, যে নির্বাচন দিনের ভোট রাতে হয়, সেই নির্বাচন আমরা চাই না। যে দেশে গণতন্ত্র নেই, বাকস্বাধীনতা নেই, তেমন দেশ আমরা চাই না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি। সরকার শুনে নাই। আজ প্রধানমন্ত্রী নিজেই আমাদেরকে আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ। একদফা মানেই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে পরিবর্তন আনা। আজকে এ আন্দোলনে জন-সম্পৃক্ততা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সরকার কিছুতেই এই জন দাবি মানতে চাইবে না। কারণ তারা জনবিচ্ছিন্ন। এ সরকারকে আজ দেশ-বিদেশের সবাই ধিক্কার জানাচ্ছে।
এসময় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম, অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছালাউদ্দিন, মোহাম্মদ নূরুল আমিন, নুর মোহাম্মদ, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, সরোয়ার আলমগীর, কাজী সালাউদ্দীন, এডভোকেট এম এ তাহের, আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, কর্নেল আজিম উল্লাহ বাহার, ডাঃ খুরশিদ জামিল, অধ্যাপক জসীমউদ্দীন চৌধুরী, মোঃ সেলিম চেয়ারম্যান, অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, আবু আহমেদ হাসনাত, আলমগীর হোসেন ঠাকুর, মাহাবুব ছাফা, কাজী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, জহির আজম চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান,সালাউদ্দিন আলী, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, দিদারুল আলম মিয়াজি, এজাহার মিয়া, মোবারক হোসেন কাঞ্চন, জাকির হোসেন, মোহাম্মদ সালাম, সালেহ আহমেদ সলু, হাসান মোহাম্মদ জসিম, সরওয়ার উদ্দিন সেলিম, মুরাদ চৌধুরী, জাহিদুল আফসার জুয়েল, মোহাম্মদ মহসিন,মনিরুল আলম জনি,আবদুল্লাহ আল নোমান, মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন, আকবর আলী, ফজল বারেক, জয়নাল আবেদীন দুলাল, আছমত আলী বাহাদুর, মোহাম্মদ মুরাদ, ইফতেখার উদ্দিন, ফজল হক, শওকত আলী নুর, মোরশেদ আলী, রহমত উল্লাহ চেয়ারম্যান, মোহাম্মদ সিদ্দিক, সৈয়দ নাসির উদ্দীন, শফিউল আলম চৌধুরী, কবির চেয়ারম্যান, ইউসুফ সিকদার, শেখ রাসেল,নাজমুল হক চৌধুরী, এইচ এম নুরুল হুদা, নুর উদ্দিন, ইয়াছিন মিয়া, ফরহাদ হোসাইন, জি এম মোরশেদ, সাইফুল ইসলাম টুটুল, মাওলানা রফিক উল্লাহ হামিদী, আশরাফ উল্লাহ, এডভোকেট রেজাউল করিম রনি,এডভোকেট খোরশেদ আলম, শাহজাহান শাহিল, সুজাউদ্দৌলা সজীব, নার্গিস আক্তার, লায়লা ইয়াছমিন, আজম খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।