বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে সরকার আবার নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে। তারা শুধু নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করেনি, দুর্নীতি, লুটপাটের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকেও ধ্বংস করে দিয়েছে। সরকার বিদ্যুৎ নিয়ে যে ঢাকঢোল পিটিয়েছে, সেটা এখন কোথায়? আজ সারাদেশ অন্ধকারে নিমজ্জিত। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি আন্দোলন করছে। এতেই সরকার আতঙ্কিত হয়ে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু যতই চক্রান্তের জাল ফেলা হোক না কেন, এই অবৈধ সরকারের পতন ঠেকানো যাবে না। মামলা দিয়ে, সাজা দিয়ে, চক্রান্ত করে জনগণকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিদায় নিতে হবেই। আগামী বুধবার চট্টগ্রামে তারুণ্যের সমাবেশ থেকেই সরকারের পতন তরান্বিত হবে। তিনি সোমবার (১২ জুন) বিকালে দোস্ত বিল্ডিংস্থ দলীয় কার্যালয়ে আগামী ১৪ জুন বুধবার চট্টগ্রামে তারুণ্যের সমাবেশ সফল করার লক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের প্রস্ততি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন চরম সংকটে পতিত হয়েছে। এ সংকট থেকে উদ্ধার করতে হলে অবৈধ ফ্যাসিষ্ট সরকারকে পতন করতে হবে। স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছে ছাত্র জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে। এ সরকারেরও পতন হবে তারুন্যের সমাবেশের মধ্যদিয়ে। আগামী ১৪ জুন দেশ বাঁচাতে তারুন্যের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ থেকে যে জন জোয়ার উঠবে, সে জোয়ারে আওয়ামী সরকার ভেসে যাবে। তিনি আগামী দিনের সরকার পতনের আন্দোলনে সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকারের প্রস্তুতি নিতে নেতৃবৃন্দকে আহবান জানান। সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে গিয়ে আওয়ামী লীগ এখন আর আওয়ামী লীগ নেই। তারা এখন রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করতে গিয়েই তাদের আজ এ অবস্থা। বিচার বিভাগ থেকে শুরু করে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সমস্ত রাষ্ট্রযন্ত্র তারা দলীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কল্পনাও করা যায় না লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর নামে রাজনৈতিক মামলা হয়। কিন্তু এই ফ্যাসিবাদী সরকার সেই কল্পনাকেও হার মানিয়েছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে ও সি. যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুল ইসলাম চৌধুরী শপথ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন, নূরুল আনোয়ার, এম মঞ্জুর উদ্দিন চৌধুরী, এস এম মামুন মিয়া, নাজমুল মোস্তফা আমিন, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী, আজিজুল হক চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান, খোরশেদ আলম, নূরুল ইসলাম সওদাগর, ভিপি মোজাম্মেল হক, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী জাহেদ, আমিনুর রহমান চৌধুরী, নবাব মিয়া, ইসহাক চৌধুরী, অধ্যাপক এহসানুল মাওলা, নূরুল কবির, জসিম উদ্দিন আব্দুল্লাহ, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, মো. জসিম উদ্দিন, এস এম সলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম শফিক চেয়ারম্যান, লোকমান হোসেন মানিক, শওকত আলম, জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহজান, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনজুর আলম তালুকদার, সদস্য সচিব জমির উদ্দিন মানিক, জেলা যুবদলের সি. যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য সচিব লোকমান আহমেদ মাস্টার, গাজী আবু তাহের, মো. উসমান, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কালাম আবু চেয়ারম্যান, তৌহিদুল আলম, শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মহসিন খান তরুণ, জাসাস আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, উলমা দলের মো. করিম, কৃষকদলের সালাউদ্দীন সুমন প্রমূখ।
চট্টগ্রামে তারুণ্যের সমাবেশ থেকেই সরকারের পতন তরান্বিত হবে

সংবাদটি শেয়ার করুন
একটি মন্তব্য করুন
একটি মন্তব্য করুন