সকালে টোস্ট, ডিমের সাদা অংশ দিয়ে পোচ আর কলা। দুপুরে একবাটি ভাত, ডাল আর সবজি দিয়ে রাঁধা এক বাটি রুই কিংবা কাতলা মাছ। বিকেলে নারকেল কুড়িয়ে মুড়ি দিয়ে মেখে তার বৈকালিক আহার। রাতে চিকেন স্টু আর রুটি। এই খেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা, বীরভূম জেলা সভাপতি নিজের ওজনটি করে ফেলেছিলেন ১০৯ দশমিক ৯ কিলোগ্রাম। যথার্থই হেভিওয়েট। এরপর তার জেলবাস। কয়লা ও গরু চুরির দায়ে। ২৫ আগস্ট তিনি জেলে ঢোকেন। তখন তার ওই ওজন ছিল।
কিছুদিন জেলবাসের পর ২৮ নভেম্বর তার ওজন নিলে দেখা যায় তা কমে একশ’ কেজি হয়েছে। সোমবার শরীর খারাপ থাকায় অনুব্রতকে আনা হয় আসানসোল জেল হাসপাতালে। সেখানে তার ওজন নিয়ে দেখা যায় ৯১ কেজি হয়ে গেছে। অর্থাৎ জেলবাসের সময় অনুব্রতর ওজন কমেছে প্রায় ১৯ কেজি। কমবে নাই বা কেন? জেলে প্রাতঃরাস লোপসি অথবা রুটি আর গুড়। দুপুরে ডাল আর ভাত। রাতে চারটি রুটি আর সবজি। সপ্তাহে একদিন করে মাছ, মাংস, ডিম। এরপর ওজন না কমে পারে! সোমবার ডাক্তারি পরীক্ষায় অনুব্রতর অন্যসব প্যারামিটার ঠিক আছে। ব্লাড প্রেসার ১৩০/৮০। সুগার একদম ঠিক। অন্যসব কিছুই ঠিকঠাক। শুধু ওজনটাই যা বেড়েছে। অনুগামীরা চিন্তিত- জেলে দাদার খাওয়া-দাওয়াটা ঠিক হচ্ছে তো! অনুব্রত বলছেন, খাসির মাংস না হলে তার রবিবার কাটে না। জেলে ওই বস্তুটির অভাব তাকে ভাবাচ্ছে।