বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহবুবের রহমান শামীম বলেছেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশকে সফল করার লক্ষে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগব্যাপী নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সভা করছেন। চট্টগ্রামের এই সমাবেশে পুরো বিভাগ থেকে লোকজন আসবে। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই। এটা হলো আমাদের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ। বিএনপি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত লড়াইয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারী বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে।
তিনি শনিবার (২৮ জানুয়ারী) বিকালে দোস্ত বিল্ডিংস্থ দলীয় কার্যালয়ে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারী শনিবার কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রস্ততি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সারাদেশে বিএনপির জনসমাবেশে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখে সরকার আজ ভয়ে ভীত হয়ে গিয়েছে। তাই তারা নেতাকর্মীদের হামলা মামলা করে ভয় দেখাতে চাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা সে ভয়কে আজ জয় করে ফেলেছে। তারা প্রমান করেছে যত বাধায় আসুক আমাদের নেতা কর্মীরা পিছপা হয়না।
সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড ও ঢাকার সমাবেশে সরকারের শত বাধা বিপত্তির পরও লোকে লোকারণ্য হয়েছিল। চট্টগ্রাম হচ্ছো রাজনীতির তীর্থ স্থান। এই চট্টগ্রাম থেকে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি লড়াই করে ব্যর্থ হন নি। আমরাও হবো না। আওয়ামিলীগ যে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, আমরা লড়াই করে তা পুনরুদ্ধার করবো।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মোশারফ হোসেন, শাখাওয়াত জামান দুলাল, মন্জুর উদ্দিন চৌধুরী, এড. এস এম ফোরকান, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, এস এম মামুন মিয়া, নাজমুল মোস্তফা আমিন, এড. কাশেম চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল কবির, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী জাহেদ, হামিদুল হক মান্নান চেয়ারম্যান, এড. শওকত উছমান, বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আবুল কালাম আবু, মাস্টার লোকমান, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, জসীম উদ্দীন, নুরুল আবসার, হাসান চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহি, কৃষক দলের আহ্বায়ক মহসিন চৌধুরী রানা, মহিলা দলের আহ্বায়ক জান্নাতুন নাঈম রিকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মনজুর আলম তালুকদার, ওলামা দলের মাওলানা আবু তাহের, মো. উছমান, মেহেদী হাসান সুজন প্রমুখ।