শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃকবানুপুর, বৃ›দ্বাবনপুর, গলাচিপা, জানিপথর, বানারস । ঐ এলাকার পার্শ্ববতী রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার কচু পাড়া বালু খালী, চৌধুরী পাড়া । রাউজানের দুর্গম পাহাড়ী এলাকার মানুষের এক সময়ে ছিলনা উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা । পায়ে হেটে রাউজান উপজেলা সদর ও কাউখালী উপজেলা সদরে যাতায়ত করতে হতো । এলাকার বাসি›দ্বারা অসুস্থ হলে দোলনায় করে লোকজন কাধে বহন করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ও চিকিৎসকের কাছে আনতে হতো । রাউজানের দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় একের পর এক উন্নয়ন কাজ হওয়ায় পায়ে হেটে আর যাতায়াত করতে হয়না । সি, এনজি অটোরিক্সায় করে দুর্গম এলাকার বাসি›দ্বা পাহাড়ী বাঙ্গালী রাউজান উপজেলা সদর ও কাউখালী উপজেলা, রাঙ্গামাটি জেলা সদরে যাতায়াত করছে । দুর্গম পাহাড়ী এলাকার বাসি›দ্বাদের জীবন মান উন্নয়ন হয়েছে । দুর্গম পাহাড়ী এলাকার ফসলী জমিতে উৎপাদিত ফল, সব্জি, এলাকায় গিয়ে ব্যবসায়ীরা ক্রয় করে গাড়ীতে করে বাজারে নিয়ে আসছে প্রতিদিন । এক সময়ের দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় যাতায়াতের জন্য বৃকবানুপুর এলাকায় ডাবুয়া খালের উপর ব্রীজ নির্মান করা হয়েছে । বৃ›দ্বাবন পুর ও কাউখালী উপজেলার সীমনায় ডাবুয়া খালের উপর সেতু নির্মান করা হয়েছে । দুর্গম পাহাড়ী এলাকার বাসি›দ্বাদের যাতায়াতাতের অন্যতম সড়ক শহীদ জাফর সড়ক রাউজান উপজেলা সদর থেকে বৃ›দ্বাবনপুর হয়ে ভ্রাম্বন ছড়ি এলাকা পর্যন্ত প্রশস্তকরন করে বিটুমিন কার্পেটিং করা হয়েছে । বৃকবানুপুর এলাকা শহীদ জাফর সড়ক থেকে বটপুকুরিয়া দরবার পর্যন্ত বটপুকুরিয়া সড়কে চলছে উন্নয়ন কাজ । রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর একান্ত প্রচেষ্টায় রাউৃজানের দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় একের পর এক উন্নয়ন কাজ করায় এলাকার মানুষের জীবন মান উন্নয়ন হয়েছে বলে বৃকবানপুর এলাকার বাসি›দ্বা ডাঃ সুজিত দত্ত জানান । ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে বটপুকুরিয়া সড়কে কালভার্ট ও ব্রিক সলিংয়ের কাজ চলছে । বটপুকুরিয়া সড়কের উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত ইট নিম্মমানের বলে এলাকার বাসি›দ্বারা অভিযোগ করেন । রাউজানের দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় এলাকার বাসি›দ্বা ছাড়া ও প্রতিদিন বটপুকুরিয়া দরবারে বাবা ভান্ডারীর আস্তানা শরীফে, হজরত নজির আহম্মদ শাহার মাজারে, পার্শ্ববর্তী কাউখালী উপজেলার ফটিকছড়ি এলাকায় গহিন অরন্যে বাবা ভান্ডারীর আস্তানা শরীফে চট্টগ্রাম জেলা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ চলাচল করে দুর্গম পাহাড়ী এলাকার শহীদ জাফর সড়ক হয়ে । বটপুকুরিয়া সড়কে নিম্মমানের ইট ব্যবহার করে ব্রীক সলিং করা প্রসঙ্গে রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুর কালামের কাছে জানতে চাইলে, প্রকৌশলী আবুর কালাম বলেন, কাজ শুরু করার সময়ে আমি পরিদর্শন করেছি । আর যায়নি কালকে পরিদর্শন করতে যাব ।
রাউজানের নিউজ

সংবাদটি শেয়ার করুন
একটি মন্তব্য করুন
একটি মন্তব্য করুন