চট্টগ্রামের উন্নয়নে দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ড ও প্রবাসে দেশবাসীর জন্য বিশেষ অবদান রাখায় এবং হুজ হুঁ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সম্মাননা প্রাপ্তিতে প্রখ্যাত আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠক ব্যারিস্টার ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনকে এক নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, খুলশী, বায়েজিদ থানা এলাকার সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে ।
সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণীজন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেন- ‘ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন লন্ডনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চমৎকার ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর প্রচেষ্টায় অন্তত ১০ হাজারেরও অধিক বাংলাদেশী পরিবারকে যুক্তরাজ্যে স্হায়ীভাবে বসবাসের জন্য প্রত্যক্ষভাবে আইনগত সহযোগিতা করেছেন। এসব প্রবাসীরা হাজার কোটি টাকা দেশে পাঠাচ্ছেন।
একজন মানুষ যখন দেশের আরো বড় দায়িত্বে আসতে চান, আমাদের সবার উচিৎ তাঁকে সহযোগিতা করা। চট্টগ্রামের উন্নয়নে ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের তৎপরতা অতীতে যেমন ছিলো এখনও অব্যাহত আছে। তার মতো সৎ ও সাহসী মানুষের বড় বেশি দরকার”।
ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন এর নাগরিক নাগরিক সংবর্ধনা কমিটির সভাপতি বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ডঃ এ এফ এম ইমাম আলী সভাপতিত্বে ও কমিটির সদস্য সচিব হাসান নাসিরের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন, ইউএসটিসির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবুল হাসেম,
বেয়ালখালী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সেলিম, কাউন্সিলর রুমকি সেন গুপ্তা ও
জেসমিন পারভিন জেসি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ন সম্পাদক শহিদুল্লাহ শাহরিয়ার, বাংলাটিভির বু্্যরো প্রধান চৌধুরী লোকমান, লেখক সাংবাদিক শওকত বাঙ্গালী, বাংলাটিভির বু্যরো প্রধান চৌধুরী লোকমান, আওয়ামা লীগ নেতা সোহরাওয়ার্দী ও কফিলউদ্দিন খোকন , নাগরিক ফোরামের মনসুর আলম এবং আরো অনেক সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ । বক্তাদের অনেকে ব্যারিষ্টার মনোয়ারকে জনপ্রতিরুপে দেখার একান্ত আগ্রহ প্রকাশ করেন ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পীরা গীতিনৃত্য পরিবেশন করেন এবং অনুষ্ঠানে ৩০ টি র অধিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও পুস্প স্তবক দেয়া হয়। এছাড়াও ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেনের কর্মকাণ্ড ও সফলতা নিয়ে ১৪ পৃষ্ঠার একটি সংক্ষিপ্ত আকর্ষণীয় স্মারক প্রকাশিত হয় শিল্পী শাহরিয়ার খালেদ ও সাংবাদিক মির্জা ইমতিয়াজ শাওনের যৌথ সম্পাদনায়।